Posts

৭১ ও ২৪

 ৭১ ও ২৪ দুটোই সত্য। দুটোই মানতে হবে কারণ দুটোই চরম সত্য। ৭১ হলো সাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই আবার  ২৪ হলো সাধীন রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠার লড়াই।

Pain

Life gives you a lot of pain, but you never get hurt and Don't give pain the life. 

যার সাথে একটা বড়সড় উপন্যাস হয়ে যাওয়ার কথা ছিলো, তার সাথে একটা ছোটগল্পও ঠিক জমলো না।

 "যার সাথে একটা বড়সড় উপন্যাস হয়ে যাওয়ার কথা ছিলো, তার সাথে একটা ছোটগল্পও ঠিক জমলো না। ঐ যে হয় না? মাথার ভেতর শত সহস্র শব্দরা মিছিল করছে, কিন্তু বল পয়েন্ট কলমের এক প্রান্তে এসে আটকে যাচ্ছে সব !!  আমিও আটকে গিয়েছিলাম বাস্তবতায়, কারণ রাত্তিরের রূপকথারা কখনোই ভোরবেলায় নেমে আসে না। স্বপ্নের কৃষ্ণচূড়ারা চোখ মেললেই ফ্যাকাসে হয়ে যায় মুহূর্তে। এখানের পৃথিবীটা ভীষণ নিষ্ঠুর, তাই তো বেলা বোসের নীরবতা শোনা তো দূরে থাক, বেলা বোসকে ফোন দেওয়ার স্পর্ধাই হয়ে ওঠে না শেষমেশ।   আমাদের মেনে নিতে হয় যে, কোনো কোনো দূরত্ব আসলে জয় করা যায় না; না ম্যারাথনে, না স্প্রিন্টে, কিছুতেই না। এক ভীষণ আক্ষেপ নিয়ে অপেক্ষা করতে করতে একসময় হাল ছেড়ে দিতেই হয়। কোনো কোনো দূরত্ব 'অজেয়', কেউ কেউ 'চির অধরা' - এটাই সত্যি, এটাই উপসংহার। গলার ভেতরের ব্যারিকেডে যে কথারা আটকে গেলো, তাদেরকে নীরবে ফিরে যেতে হয়েছিলো বুকের ভেতরের হাহাকারের ঘরটাতে; যে হাহাকার যত্ন করে লুকিয়ে রেখে আমরা গল্পহীন হয়ে বেঁচে আছি। অথচ আমাদের একটা ছোটগল্প হলেও তো পারতো!"

মা

 মা, শব্দটি অনেক ছোট,কিন্তু এর গভীরতা, এর শব্দ ঝংকার,এর মমত্ত,এর স্নেহ,ভালোবাসা নিখুঁত,নি:সার্থ। 'মা' এর মতো আপন আর কেউ হয় নাহ,'মা' 'মা' ই হয়।

আকুতি

 হৃদয়লিলায় মত্ত হয়ে জীবন নদী সাঙগ করে প্রমোদতরী সাজিয়ে একআত্তা হয়ে তোমার মন হরণ করে উর্ধ গগনে মিশে একাকার হতে চাই সুন্দরী হরিনী কাজল কালো আখিনি ওগো সুহাসিনী আমি যে তোমারি প্রেমের কাঙাল ছিন্ন করো মেকি লাজলজ্জা ধন্য করো হৃদয় শান্ত করো আত্তা যেখানে অমৃতের পানি তৃপ্তি করে করো পান যেথায় মোরা হব চিরন্তন সত্য সময়।।।।

অনুধাবন ক্ষমতা

 বিশ্বাস করুন, মেয়েরা ঠিক বুঝতে পারে, কোন পুরুষ তার হাতটি যৌনতা থেকে ধরেছে, আর কোন পুরুষ তার হাতটি মমতা থেকে ধরেছে। হ্যাঁ, ছেলেরাও ঠিক‌ই বুঝতে পারে, কোন নারী তার জীবনে ভরসার হাত, আর কোন নারী তার জীবনে বর্শার তীর। মেয়েরা সত্যিই বুঝতে পারে, কোন হাতটি ভালোবাসার অজুহাতে কেবল শরীর‌ই ছোঁয়, আর কোন হাতটি শরীর ছাড়িয়ে কেবলই আত্মা ছোঁয়। ছেলেরাও বুঝতে পারে, কোন নারীর কাছে সে বরাবরই প্রিয়জন, আর কোন নারীর কাছে সে নিছকই প্রয়োজন। পৃথিবীর সব প্রাণীর ভেতরেই অদ্ভুত একটা ক্ষমতা আছে; সেটা হলো: ভালোবাসা ধরতে পারার ক্ষমতা। রাস্তার বেওয়ারিশ পাগল কুকুরটাও স্নেহ পেলে দড়ি ছাড়াই ঘরে থাকে, বনের হিংস্র বাঘটাও ভালোবাসা পেলে খাঁচা ছাড়াই পোষ মানে। ভালোবাসা এমনই একটা বিষয়, যার অস্তিত্ব থাকলে চোখ বন্ধ করেও তার আলো দেখা যায়, না ছুঁয়েও তার পরিধি বোঝা যায়, না ডুবেও তার গভীরতা মাপা যায়। এজন্যই বোধ হয়, কিছু হাত আমরা শত বাধা, অগণিত দেয়াল, আর প্রচণ্ড ঝড়তুফানেও ছাড়ি না। আর কিছু হাত কোনও বাধা ছাড়াই ছেড়ে দিতে জানতে হয়। কিছু হাত ছাড়ার জন্য; কিছু হাত ধরার জন্য।

প্রস্থান

*****তুমি চলে যেতেই পারো, জানান দিতে হবে এমন না, আর জানান দিয়ে গেলে তো তোমার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আমাকে তোমার ফিরে আসার পথে চেয়ে থাকতে হলো না।  তুমি ছেড়ে যাবে বলে আমার কষ্ট হবে বলবো না। অভিশাপ দিবো না, অনেক অনেক  দোয়া তোমার জন্য, শুভ কামনা ও  অভিনন্দন। তোমার সুখটাই চেয়েছি। সেই সাথে হয়তো তোমাকে নিয়েই সুখী হতে চেয়েছিলাম। সেটা আর হবে না। সুখ হয়তো আমার খুচরো পয়সায় সন্ধি চুক্তি করতে নারাজ। সুখ হয়তো আমার কালো চামড়ায় আপোষ করবে না। তাই বলে এমন না যে তুমি চলে গেলে আমার নিশ্বাস ফুরিয়ে যাবে, হয়তো আমি গন্তব্য হারাবো। হয়তো ভুল পথে কেটে যাবে তুমি অব্ধি পৌঁছাতে। নয়তো তোমার সুখে পাগল হয়ে ঘুরবো রাস্তায় রাস্তায়।  চলে যেতে চাও আপত্তি নেই। তোমার সুখের পথে কাঁটা তারের বেড়া দিয়ে কখনো আটকাবো না, শুধু জেনে যেও চলে গেলে একেবারে যেও, ফিরে তাকিও না আর পিছন ফিরে।ভালবাসাও এক ধরনের অদৃশ্য আগুন। যেটা কিনা  বিশ্বাস ভাঙন নামক বারুদের কাঠিতে জ্বলে। তুমি চলে গেলে বিশ্বাস ভাঙন বারুদে কাঠির ঘর্ষণে পুড়ে ছাই হয়ে যাবো আমি।  আমি লোহার কিংবা পাথরে  কংক্রিট নই,যে আগুনে পোড়ালে লোহা কিংবা পাথরই থাকে! ...